হাঁচি ও টিকটিকি ডাকের ফলাফল
শয়নাবস্থায় হাঁচি-অর্থলাভ, খাওয়াবস্থায় হাঁচি-কর্মের উচ্চপদ লাভ। আসনে উপবিষ্ট থাকাকালীন হাঁচি-সম্পত্তি লাভ। নতুন বস্ত্র পরিধানের সময়কালে হাঁচি-গৃহবাড়ী ও সুখ সমৃদ্ধি লাভ। ঝগড়া, বিবাদ, বাক, বিতন্ডা চলাকালীন হাঁচি-ব্যাধিপীড়া থেকে পরিত্রাণ লাভ। এবং বিয়ে চলাকালীন হাঁচি হলে-দম্পত্য সুখ চিরস্থায়ী ছাড়াও বিয়ের পর ভাগ্য উন্নতি হয়।
এছাড়া কোন কার্য শুরুর কালে বা যাত্রা কালীন গরুর হাঁচি-সেই কার্য চলাকালীন বা যাত্রাকালীন মৃত্যু ঘটে। বৃদ্ধ ব্যক্তির হাঁচি ফলদান করে না। শিশুর হাঁচি-মূল্যহীন। ইচ্ছাকৃত ভাবে হাঁচি দেয়ায় কোন প্রকার ভূত ভবিষ্যৎ নির্ণিত হয় না।
উর্ধমুখী হয়ে হাঁচি প্রদান করায় কার্যসিদ্ধি ও অর্থ লাভহয়। আর নিম্নমুখী হাঁচি প্রদানে ব্যাধিপীড়া ছাড়াও শোক দুঃখের ইঙ্গিত দেয়। পূর্বমুখী হয়ে হাঁচি দেওয়ায় মনে ভীতির সৃষ্টি হয়। পশ্চিম মুখী হয়ে হাঁচি প্রদানে সুখ সমৃদ্ধি ও অপরের ভালবাসা লাভ হয়। উত্তর দিক মুখ করে হাঁচি প্রদানে স্ত্রীলাভ ও কার্যসিদ্ধি হয়। আর দক্ষিণ মুখী হয়ে হাঁচি প্রদানে আগুন বিদ্যুৎ প্রভৃতির ভয় থাকে। ঈশান কোনে মুখ করে হাঁচি প্রদানে বিবাহের সূচনা হয়। অগ্নিকোনে মুখ করে হাঁচি নির্গমনে ভীতির কারণ জানবে। নৈঋতে মুখ করে হাঁচি নির্গমনে পারিবারিক কলহ ও ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি হয়। এবং বায়ু কোন মুখী হাঁচি নির্গমনে সর্বকাজে জয় লাভ হয়ে থাকে।
টিকটিকির ডাক ও শরীরের স্থান বিশেষে টিকটিকি পতনের ফল
খনার জিহ্বা কর্তন করে বরাহ তা নিভৃত স্থানে রক্ষা করেন। টিকটিকি তাকে খাদ্যদ্রব্য মনে করে ভক্ষণ করে। তজ্জন্য টিকটিকির শব্দে ও ভূর্ত ভবিষ্যৎ প্রকাশিত হয়।
দিক ও কাল ভেদে টিকটিকি ডাকের ফলাফল
![]() |
| হাঁচি ও টিকটিকি ডাকের ফলাফল |
